নতুন বাংলাদেশ

নতুন দৃষ্টিতে বাংলাদেশ

প্রথম পাতা > প্রেস রিভিউ > বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ, স্বামীসহ আ. লীগ নেত্রী গ্রেপ্তার

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ, স্বামীসহ আ. লীগ নেত্রী গ্রেপ্তার

Saturday 9 May 2020, deshrupantor Print

সিলেটে চেতনানাশক খাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ওই ছাত্রীর খালা ও খালুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছাত্রীর খালা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী। খালার সহযোগিতায় খালু ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করেছে এবং খালা নিজে মোবাইলফোনে তা ধারণ করেছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায়। জৈন্তাপুর থানার ওসি শ্যামল বণিক এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। ধর্ষণ দৃশ্য ধারণ করা মোবাইলফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ছাত্রী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন এবং পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার নিজ বাড়িতে চলে যান। ওই ছাত্রীর খালা সুমি বেগম (৩৫) জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। একই গ্রামে তাদের বাড়ি। ছাত্রী মাঝে-মধ্যে খালার বাড়ি বেড়াতে যেতেন। গত ২ মে খালা সুমি বেগম ওই ছাত্রীকে তার বাড়িতে ইফতার করার দাওয়াত দেন। এ অবস্থায় ওই ছাত্রী খালার বাড়িতে গিয়ে ইফতার করেন। ইফতারের পর রাত ৮টার দিকে খালা ছাত্রীকে চা খেতে দেন। চা খাওয়ার পর ছাত্রীটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে খালু কয়েছ আহমদ (৪০) তাকে ধর্ষণ করেন। সুমি বেগম এই দৃশ্য মোবাইলফোনে ধারণ করেন। জ্ঞান ফেরার পর ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে খালা-খালু তার মুখ চেপে ধরেন। পরে ছাত্রীটি কৌশলে তার বাড়িতে খবর পাঠায়। ছাত্রীর মা-বাবা গিয়ে ঘটনা শুনে মোবাইলফোনটি তাদের কাছে নেন এবং ছাত্রীকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় গত ৪ মে ছাত্রী বাদী হয়ে খালা সুমি বেগম ও খালু কয়েছ আহমদকে আসামি করে জৈন্তাপুর থানায় মামলা করেন।

ওসি শ্যামল বণিক জানান, একাধিক অভিযান চালিয়েও আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছিল না। পরে র‌্যাব-৯ এর সহযোগিতায় শুক্রবার গভীর রাতে সিলেট নগরী থেকে কয়েছ আহমদ ও সুমি বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Keywords: , ,