নতুন বাংলাদেশ

নতুন দৃষ্টিতে বাংলাদেশ

প্রথম পাতা > নির্বাচিত প্রবন্ধ > করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের ডায়রি ৩

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের ডায়রি ৩

Monday 27 April 2020, Pinaki Bhattacharya Print

বিখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস নাকি করোনা মোকাবেলায় শেখ হাসিনার প্রশংসা করছে!! বাংলাদেশের মিডিয়া এই নিয়া খুব মাতামাতি করতেছে [করোনা: ফোর্বসের সফল নারী নেতৃত্বের তালিকায় শেখ হাসিনা]। আজ আওয়ামী শিবিরে আনন্দের বন্যা। দৃশ্যত করোনা মোকাবেলায় হাসিনার প্রশাসন ব্যর্থ হওয়ার যারা আশায় বুক বাধছিলেন তাদের মুখে হতাশা। ভালোই লাগতেছে এইসব দেখে।

বাংলাদেশে শুধু সরকার নয়, তাদের বিরোধীরাও যে অপদার্থ হবে এতে আমার কোন সন্দেহ নাই। আমিও তো একজন অপদার্থ, তাই এই বিষয় নিয়া লিখি।

যাই হোক। উহা ফোর্বস ম্যাগাজিনের কোন আর্টিকেল নয়। সেটা একজন ব্লগারের লেখা ব্লগ।

ফোর্বস ম্যাগাজিন আর ফোর্বস ডট কম দুইটা ভিন্ন প্রকাশনা। ফোর্বস ডট কম হইতেছে একটা ভেরি হাই কোয়ালিটি ব্লগ। শেখ হাসিনারে নিয়া লেখাটাও একটা ব্লগ, ওইটা কোন ম্যাগাজিন আর্টিকেল নয় [দেখুন: 8 (More) Women Leaders Facing The Coronavirus Crisis]। তবে যিনি লিখছেন, তিনি একজন সেলিবৃটি ব্লগার। উনার নাম Avivah Wittenberg-Cox, তিনি ফ্রান্সেই থাকতেন, নিসে। কিন্তু হায় আমার লগে পরিচয় হওয়ার আগেই তিনি লণ্ডনে থিতু হইছেন নতুন এক বিয়া কইরা। উনার বাবা ও মাও সেলিব্রেটি ছিলেন, উনারা দুইজনেই ছিলেন হলোকাস্ট সারভাইভার। বাংলাদেশে যেমন "বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান" বলে একটা সমাজে আলাদা জায়গা পাওয়া যায় তেমনি পশ্চিমেও হলোকাস্ট সারভাইভারের সন্তানরা তাদের পিতা বা মাতার পরিচয় সগর্বে প্রচার করেন। এবং উনারা সমাজে একটা আলাদা প্রভাব ও প্রতিপত্তি নিয়ে চলেন। খুব সাধারণ মানের লেখালেখি করা ছাড়াও আভিভা একজন মোটিভেশন্যাল স্পিকার এবং পেশাদার কোচ। তার শেষ বইয়ের নাম হচ্ছে "লেইট লাভ"। পঞ্চাশ বছরের পরে প্রেমে পড়ার কারণ ও তরিকা ব্যখ্যা করেছেন সেই বইয়ে। আমি যদিও সেই বই পড়িনি, রিভিউ দেখে বললাম। উনার একটা কনসাল্টেন্সি ফার্ম আছে নাম 20-first উনারা জেন্ডার বেইসড কনসাল্টেন্সি করে থাকেন। যদিও সেই প্রতিষ্ঠানরে কেউ পুছেনা।

আভিভা একজন ফোর্বসের ব্লগার। ফোর্বসের আভিভার মতো ব্লগার আরো আড়াই হাজার আছেন। এই ব্লগারদের অভিজ্ঞতা এবং লেখার মান বিবেচনায় সিনিয়র কন্ট্রিবিউটর এবং কন্ট্রিবিউটর হিসেবে ফোর্বস ক্লাসিফাই করে। আভিভা একজন কন্ট্রিবিউটর। আপনারা ফোর্বসের ম্যাগাজিনের আর্টিকেলে “কন্ট্রিবিউটর” শব্দটার বদলে "ফোর্বস স্টাফ" কথাটা দেখবেন। কন্ট্রিবিউটরদের লেখা ব্লগ কখনো কখনো ফোর্বস প্রোমোট করে। সেই লেখাকে তখন "এডিটরস পিক" এর মর্যাদা দেয়া হয়। তাহলে লেখাটা সহজেই ভাইরাল হয়। আমাদের সামু ব্লগে যেভাবে পোষ্ট স্টিকি করা হতো তেমন আরকি।

ব্লগের ভালো কন্ট্রিবিউটরেরা মাসে ৫০০ থেকে এক হাজার ডলার ফোর্বস থেকে আয় করেন, যদি ফোর্বসের বেঁধে দেয়া ভিজিটর টার্গেট এই ব্লগারেরা পুরণ করতে পারেন।

আগেই বলেছি, আভিভা একজন মাঝারি মানের ফোর্বস ব্লগার। তিনি গত তেরোই এপ্রিল What Do Countries With The Best Coronavirus Responses Have In Common? Women Leaders এই শিরোনামে একটা ব্লগ লিখেন যেখানে করোনা মোকাবেলায় আটজন নারী রাষ্ট্র প্রধানের কৃতিত্ব তিনি তুলে ধরেন। অবশ্য সেখানে শেখ হাসিনা ছিলোনা। সেই ব্লগ EDITORS’ PICK হয় এবং সঙ্গত কারণেই ভাইরাল হয়। প্রায় ৭০ লাখ ভিউ হয় এই আর্টিকেলের। আভিভা উৎসাহিত হয়ে কয়েকদিন আগে তিনি আরেকটা ব্লগ লিখেন 8 (More) Women Leaders Facing The Coronavirus Crisis শিরোনামে। সেখানে তিনি শেখ হাসিনা সহ আরো আট জন নারী নেতৃত্বের করোনা মোকাবেলায় প্রশংসা করেন।শেখ হাসিনার প্রশংসার কারণ হিসেবে তিনি শেখ তানজিব ইসলাম ও নিতীশ কুমার নামের দুই ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের ফেলোর ১৩ এপ্রিল অনলাইনে প্রকাশিত লেখার সুত্র উল্লেখ করেন। ইন ফ্যাক্ট আভিভা প্রশংসাটা করেনি করেছে শেখ তানজিব আর নিতীশ কুমার। আভিভা তার ব্লগে সেটার উল্লেখ করেছেন।

এবার আসেন দেখি প্রশংসাটা কী করেছিলো শেখ তানজিব আর নিতীশ কুমার? [দেখুন: How Bangladesh’s leaders should respond to the economic threats of COVID-19] তারা বলেছিলো, করোনা ভাইরাস ধরা পরার পরে চায়না থেকে বাংলাদেশ তার নাগরিকদের সরিয়ে এনেছে, এয়ারপোর্টগুলোতে থার্মাল স্ক্যানার বসিয়েছে। তবে ওরা না জানলেও আমরা জানি সেই স্ক্যানার কাজ করে নাই। চাইনিজ এমব্যাসাডার প্রকাশ্যেই বলেছে এই স্ক্যানিং এর পদ্ধতি ও মেশিন অকার্যকর।

ওরা আরো প্রশংসা করে বলে, হাসিনা বিদেশ থেকে আগত ৩৭ হাজার বাংলাদেশীকে কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে দুইটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে রুপান্তরিত করে। (এখানে সম্ভবত হজ্জ্ব ক্যাম্পের কথা বলেছে।) তবে ওরা হোম কোয়ারেন্টাইনের কিচ্ছা জানেনা। আর জানেনা হজ্জ্ব ক্যাম্পের কী ঘটনা ঘটেছিলো। কয়জন কয়রাত সেখানে ছিলো।

প্রশংসা করা হয়েছে এই বলে যে, বাংলাদেশে স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যদিও আমরা জানি করোনা রোগী আক্রান্ত হবার পরেও ১০ মার্চ বাংলাদেশের সকল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মুজিবের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন ও ১৭ মার্চ মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে সারা দেশে আতশবাজি ফুটানো হয়। সারা দেশে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করে সেই আতজবাজির উতসব দেখে। আরো প্রায় দশদিন পরে ২৬ মার্চ সারা দেশ লক আউট ঘোষণা করা হয়।

বলা হয়েছে, হাসিনা নাকি নন এসেনশিয়াল ব্যবসাগুলি অনলাইনে ট্রান্সফার করেছেন। হা হা হা সত্যিই কী?

কিন্তু বাংলাদেশের অবস্থা তো বাংলাদেশের জনগন জানে। তারা প্রত্যেকদিন যুগপত ক্ষুধা আর মৃত্যুর সাথে লড়ছে। এই বধ্যভুমিতে দাঁড়িয়ে কোনমতে বেচে থাকাটাই তাঁদের কাছে উতসব।

শুধু বেঁচে থাকার সেই উতসবের খোঁজ নিতীশ কুমার, শেখ তানজিব আর আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফোবর্সের ব্লগারেরা কখনো পায়নি, পাবেও না।

জনগনের আস্থা, বিশ্বাস আর সমর্থনের অভাব যদি বিদেশী ব্লগার দিয়ে পুরণ করে কেউ আনন্দিত হতে চায় তার আনন্দ আমি মাটি করতে চাইনা। নাকের বদলে অনেক বেকুবের নরুন বেশী পছন্দ। বাকশালিদের তাক দুমা দুম তাক বলে নাচানাচির পাশাপাশি হাতে একটা বিদেশী ব্লগের নরুন নিতে বলুন। উনারা যেই বেকুবি করতেছেন, সেইটাও তারা সর্বাঙ্গসুন্দর করুক। - Pinaki Bhattacharya, 27/04/2020


সরকার গণস্বাস্থের কিট ভুলেও নেবে না। সিম্পল এজ দ্যাট।

আপনাদের একটা ফান্ডামেন্টাল ভুল ধারণা হোলো আপনারা মনে করেন যে যুদ্ধটা কোভিডের বিরুদ্ধে।

না; যুদ্ধটা মোটেও কোভিডের বিরুদ্ধে না, যুদ্ধটা কোভিড বিষয়ক ইনফরমেশনের বিরুদ্ধে। দুটোর মাঝে পার্থক্য আছে। একনায়করা যেরকম হয়, শেখ হাসিনা পুরা টেমপ্লেট ফলো করছেন। শেখ হাসিনা কোনোভাবেই মহামারির ইনফরমেশান লীক হতে দেবেন না। এটাই তার প্রধান লক্ষ্য।

যেই দেশে হাসপাতাল ব্যবস্থার অর্ধেকের বেশী বেড প্রাইভেট হাসপাতালে সেই দেশে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকে কোভিডে এস্তেমাল না করার সিদ্ধান্ত দেখেই বোঝা যায় তিনি কেন প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকে চিকিৎসা দিতে দেবেন না। কারণ পুরা ঢাকা শহর তখন প্রাইভেট হাসপাতালে দৌড়াবে এবং হাসিনা যেই মিথ্যাগুলো বলতে চান ও যেই সত্যগুলো লুকাতে চান সেগুলো সম্ভব হবে না।

তিনি আপনার স্বাস্থ্যের বিরুদ্ধে, তার গদির পক্ষে যুদ্ধ করছেন। হাসিনার প্রথম লক্ষ্য: কোভিড বিষয়ক ইনফরমেশনের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব।

বাংলাদেশের পত্রপত্রিকা পড়লে মনে হবে PCR এক ধরণের রকেট সায়েন্স। যারা মলিকুলার বায়োলজি ল্যাব ওয়ার্ক করেছে, জিজ্ঞেশ করুন - এগুলো সেট করা লিট্রেলি ২-৩ ঘন্টার কাজ। অনলাইনে প্রচুর ভ্যালিডেটেড প্রোটোকল আছে। এই বাংলাদেশেই ICDDRB’র এমন কোনো ল্যাব সম্ভবত নাই যারা এই টেস্ট একদিনের মধ্যে সেটাপ করতে পারবে না।

কিন্তু সরকার কারো সাথে যোগাযোগ করে নাই। কোনো প্রাইভেট হাসপাতালকে সাথে নেয় নাই (দুটোকে সম্ভবত অনুমতি দিয়েছে প্রচুর শর্ত-সহযোগে) এবং গণস্বাস্থের কিটও তারা নেবে না। কারণ; প্রথমত গণস্বাস্থ্যের কিট নিলে ঐতিহ্যময় আওয়ামী ডাকাতির কোনো সুযোগ নাই যেটা বিদেশ থেকে কিনলে থাকবে এবং ইনফরমেশান ওয়ারে আওয়ামীরা হেরে যাবে যেটা কোনোভাবেই হতে দেয়া যাবে না।

আপনাদের মতো দশ বিশ হাজার লোক মারা যাওয়াটাকে হাসিনা কোনো ব্যাপারই মনে করে না। তার একমাত্র চিন্তা হোলো মৃত্যুর সংখ্যাটা যেন অফিশিয়ালি কম থাকে ( এটাকে আমরা রিভার্স থ্রি মিলিয়ন সিম্পটম বলতে পারি) এবং তার চিন্তাটা সঠিক। আপনাদের মতো স্বার্থপর মিডল ক্লাসকে পশুর মতো ট্রীট করাটাই সঠিক। আপনাদের জীবনের যেহেতু একমাত্র চিন্তা হোলো মাস শেষে মালিক বেতন দিলেই হোলো - তিনি কেবল ঐ একটা জিনিসই ঠিক রেখে আদমদের পশু বানিয়ে ফেলেছেন। আপনারা যেহেতু নাগরিক না হয়ে চাকর হওয়ার জন্য আকুল, হাসিনাও আপনাদের চাকর না বানিয়ে পশু বানাতে রাজী। হিসাব তো ঠিকই আছে।

দেখুন হাসিনার সাংবাদিকরা কিন্তু এই মহামারির মধ্যেও আলম, পিনাকী, বার্গম্যান, এপোলো, আসিফ তাসনীম - এদেরকে সাইজ করার ব্যাপারে খুবই তাগড়া। ওয়ান্স ইন আ লাইফ টাইম প্যানডেমিকের মধ্যে ফাঁসি দেয়ার ব্যবস্থাও সরকার করেছে অবিশ্বাস্য দ্রুততায়। ওখানে কোনো গাফিলতি, সমন্বয়ের অভাব হয়েছে?

কিন্তু গণস্বাস্থ্যের কিট কাজের না ফালতু - এই সিদ্ধান্ত দেয়ার সক্ষমতাটা তাদের নাই। আপনারা যেহেতু আপনাদের নিজেদের জীবনের চাইতে বেতনকে অগ্রাধিকার দেন তাই আপনাদের সামষ্টিকভাবে কোনো প্রশ্ন করার সক্ষমতাটুকুও শেষ হয়ে গেছে। একটা প্রশ্ন করার আগে যতোবার আপনাদের মাননীয়, মাননীয় করতে হয় - ইবলিশ ফেরেশতা থেকে শয়তান হওয়ার পর আল্লাহকে অতোবার মাননীয় বললে হয়তো তিনি মাফই করে দিতেন।

আপনাদের ঔকাদ হয়ে গেছে পোষা কুকুরের মতো, আর হাসিনা আপনাদের মালিক।

এই অবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলবেন তো সোহেল তাজ এসে আপনাদের নসীয়ত দেবে - এটা রাজনীতির সময় না ভাই, এটা দেশ বাঁচানোর সময়। তো যখন রাজনীতির সময় ছিলো, আমার ভোটটা পুলিশ, ছাত্রলীগ, মিলিটারী আর ম্যাজিস্ট্রেট মিলে ডাকাতি করছিলো - তখন চোদনা তুই কৈ ছিলি? তখন এই বড় বড় ন্যায়ের কথাগুলো কৈ ছিলো?

হাসিনা তো এই মুহূর্তে একটা মহামারিকে রাজনীতি বানিয়ে ফেলেছে, সোহেল তাজ কিন্তু হাসিনাকে রাজনীতি বন্ধ করতে বলবে না। বলবে কাকে?

অবলা পশুদের। কিন্তু কেন?

অবলা পশুরা তো মাস শেষে বেতন পেলেই খুশী। তাদেরকে বেতন, ভাত ও নেটফ্লিক্স দাও - তারা নাগরিক না হয়ে ফেসবুকার হতে পারলেই খুশী থাকবে।😂😂😂

এটাই রাজনীতির সময়, প্রতিটা মুহূর্ত রাজনীতির সময়। ফ্যাশিস্টরা আপনাকে ধর্ষণ করবে তাহাজ্জুদ ও ফজরের পর, জীবন ও মৃত্যুর পর; কোভিডের আগে ও কোভিডের পর। যখনই আপনি তাদের শুয়োরের বাচ্চা বলে ঘুরে দাঁড়াবেন তখনই সোহেল তাজরা গলা নামিয়ে বলবে, আমরা কি সব কিছু ভুলে আরেকবার শুরু করতে পারি না হে?

এটাই রাজনীতির সময়, এখনই রাজনীতি করুন। যা কিছু আমার লুট হয়ে গেছে সেটা ফিরিয়ে নেয়াকে যদি শুয়োরের বাচ্চারা রাজনীতি বলে - বলুক।- Faham Abdus Salam, 27/04/2020


VANITY REIGNS SUPREME

1/7.
A blog writer for Forbes.com says about Bangladesh "....installing screening devices across international airports which screened some 650,000 people (of which 37,000 were immediately quarantined), something the U.K. still isn’t doing."

2/7. This is a secondary reference from an article written by BDPM sheikh Hasina’s nephew Tanjeb, (https://www.weforum.org/agenda/2020/04/covid-19-coronavirus-bangladesh/) published 13 april 2020. But this is what Forbes.com missed about Bangladesh from the same source on In Bangladesh, COVID-19 threatens to cause a humanitarian crisispublished 6 April by Asif Saleh.

3/7.
Tanjeb’s article says first covid-19+ case in BD was 3rd March and in Feb govt evacuated own nationals from China. No mention of between which two dates those 650k passengers were screened. He relies on speech of Hasina on 25 March to nation for his data. BD bureau of statistucs says average air passenger footfall in a given month is some 331,348.500.

4/7.
The 650k passengers must have been screened sometime before 25 March 2020. If screening systems were in place by first week of February it is some stretch of imagination how these 650k passengers were gathered. The statistics included both domestic and international footfalls.

5/7.
No mention of which airports had such "facilities" and between which dates these 650k passengers went to BD.

6/7.
The Chinese ambassador to Bangladesh made comments in public that there were no screening system at BD airports. Two of my relative are also doctors at one of the airport that takes the largest number of international passengers and according to them its manual questioning.

7/7.
Air passengers are all documented. Hence by a press of the finger government can print out details of those 37000 that were immediatly quarantined. It is unbelievable why Mrs Wajed did not release such a success story to footlicking domestic press for celebration.

8 (More) Women Leaders Facing The Coronavirus Crisis

- Afzal Zami, 28/04/2020)


ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের চমৎকার ব্যবস্থাপনা -

দুপুরে এক বন্ধু কল দিয়ে বললো ঢাকা মেডিকেলের করোনা ইউনিটে একজন মা ও তার দুই সন্তান ভর্তি রয়েছেন। তারা তিনজনই আক্রান্ত। গেল তিন দিন ধরে তারা প্রায় না খেয়েই আছেন। ভাত রান্না করে পাঠানো দরকার। ঢাকায় কেউ নেই যারা খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন। হাসপাতালেও কেউ নেই যাকে দিয়ে খাবার আনানো যায়।

খাবারের সাথে আরও কিছু জিনিসের লিস্ট পাঠালো কেনার জন্য। এদিকে খাবার রান্না করতে হবে। Farzana Fahmee কে কল দিতেই রাজি হয়ে গেলেন খাবার রান্নার জন্যে। খাবার রোগীর পছন্দমতোই হবে। রোগীর জন্য লিস্ট ধরে কিছু জিনিস কিনতে কিনতে খাবার রান্না হয়ে গেল। পাঁচ বাটি ভাত তরকারি রান্না করে দিলেন Farzana Fahmee ও তার পরিবার। কৃতজ্ঞতা জানালাম না কারণ এই কাজ করাকে তিনি তার দায়িত্ব হিসেবেই দেখেন। তার পরিবার তাদের ভাড়া দেয়া বাসার ভাড়াটিয়াদের থেকে গত দুই মাস ধরে ভাড়াও নিচ্ছেন না। উদ্দেশ্য একটাই, সবাইকে নিয়ে বাঁচা। চেষ্টা করছেন প্রতিদিন। কখনো বা রান্না করা খাবার নিয়ে নেমে যাচ্ছেন অভুক্ত প্রাণির ক্ষুধা মেটাতে। অথচ কখনো এসব নিয়ে একটা কথাও বলতে দেখিনি। একদম চুপে চাপে সাধ্যের পুরোটুকু দিয়ে চেষ্টা করেন সবসময়। নীরবে নিভৃতে সর্বদা মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই মানুষগুলোর প্রতি অন্তরের অন্তস্থল থেকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।

খাবার নিয়ে ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিট যেখানে করোনা রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে গেলাম আমি আর জাহিদ সুজন ভাই। আমি করোনা ইউনিটের রিসিপশনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম খাবার ওয়ার্ডে পাঠাবো কীভাবে? রিসিপশন থেকে বলা হল খাবার নিয়ে সরাসরি ওয়ার্ডে চলে যান! আমি ভাবলাম অন্য কিছু বলেছেন হয়তো আমি বুঝি নাই তাই আবার জিজ্ঞেস করলাম। তারা আবারও বললো সরাসরি চলে যেতে। জ্বী, আমি করোনা আক্রান্ত না কিন্তু যেখানে খাবার নিয়ে যেতে বলা হচ্ছে সেখানে সবাই করোনা আক্রান্ত! এতোদিন জানতাম বাইরের কাউকে হাসপাতালে ঢুকতে দেয় না। এখন দেখি চাইলেই যেকেউ ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে আসতে পারে এবং বের হয়ে নির্বিঘ্নে ছড়ানো শুরু করতে পারে।

উপায়ন্ত না দেখে সিদ্ধান্ত হল জাহিদ সুজন ভাই যাবেন। আক্রান্ত মা তারপর কল দিলেন। তার পাশের রোগীর সাথে থাকা একজনকে পাঠাবেন বললেন। ভদ্রলোক আসলেন। কিন্তু ব্যাগ দুটি হওয়াতে সুজন ভাইকে সাথে যেতেই হল। পথিমধ্যে সেই ভদ্রলোকের মুখে আমরা কিছু জিনিস জানলাম। তিনি বলছিলেন তার রোগী করোনা টেস্টের স্লিপ হারিয়ে ফেলায় আজকে তার টেস্ট হয়নি। আমরা যে রোগীর জন্য খাবার নিয়ে এসেছি তার বড় মেয়েটি খাবারের জন্য খুব কান্না করছে দুই দিন যাবত আর ছোট মেয়েটি শুধু নিস্পলক তাকিয়ে থাকে। হাসপাতালে কেউ নেই যাকে দিয়ে অসহায় মা খাবার আনাতে পারেন। না কোন ওয়ার্ড বয় না খাবারের দায়িত্বে নিয়োযিত কেউ। সত্যিই কেউ ছিল না।

সুজন ভাই নিচে এসে বললেন উপরে সবাই নাকি প্রচণ্ড গালাগালি করছে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষকে। রোগীর সুস্থ হবার কোন ব্যবস্থাই নাকি নাই। আমার মাথায় অবশ্য তখন কিছু নাই। বাচ্চা দুটির কান্না কানে ভাসছিল তখন। তার কিছু পর আক্রান্ত মায়ের সাথে কথা বল্লাম। হতাশ তিনি খুবই। সাহস দেবার চেষ্টা করলাম। আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলাম যে আপনি এবং আপনার মেয়েরা অবশ্যই সুস্থ হবেন। আর কিছু করার কিংবা বলার ছিল না আমার।

করোনা নিয়ে ঘাটাঘাটি করে দেখলাম ভাল মানের খাবারই রোগীকে প্রায় সুস্থ করে তুলতে পারে। এদিকে ঢাকা মেডিকেলের অবস্থা দেখে মনে হল হাসপাতাল রোগীকে আরও অসুস্থ করে তুলতে সহায়তা করে। যাই হোক, করোনা রোগীদের খাবারের দিকে যেন কর্তৃপক্ষ বিশেষ নজর দেয় সে দাবি জানাই। - আবু রায়হান খান, 07/05/2020

Keywords: , ,