নতুন বাংলাদেশ

নতুন দৃষ্টিতে বাংলাদেশ

প্রথম পাতা > প্রেস রিভিউ > ১৭০ কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, ভোট স্থগিত করে পুনর্নির্বাচন দাবি

১৭০ কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, ভোট স্থগিত করে পুনর্নির্বাচন দাবি

13 January 2020, jugantor PrintShare on Facebook

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচন স্থগিত করে পুনর্নির্বাচন দাবি করেছেন বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান। ভোট শেষ না হতেই তিনি দাবি করেছেন, নির্বাচনের ১৭০ কেন্দ্র থেকে তার কর্মী-সমর্থকদের বের করে দেয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুর ১টায় চট্টগ্রাম নগরীর নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর প্রমুখ।

আবু সুফিয়ান বলেন, এ সরকারের আমলে কোনো নির্বাচন যে সুষ্ঠু হবে না, তা আরও একবার দেখল জনগণ। প্রত্যেক কেন্দ্রের সামনে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা অবস্থান নিয়ে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের কোনো পরিবেশ না পেয়ে নির্বাচন কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। নির্বাচনের নামে তামাশা করা হচ্ছে। ভোটের নামে মানুষের ট্যাক্সের টাকা খরচ করার কোনো মানে হয় না।

কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলে বিএনপির প্রার্থী বলেন, ভোটকেন্দ্র থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের লোকজন আমাদের কর্মী-সমর্থকদের বের করে দিচ্ছে। ভোটারদের ভোট নিজেরাই দিয়ে দিচ্ছে।

নগরীর রাবেয়া বশরি ইনস্টিটিউট ও আল হুমায়রা মহিলা মাদ্রাসায় বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাবেয়া বশরি ইনস্টিটিউট ভোটকেন্দ্রের বিএনপির প্রার্থীর এজেন্ট সালাউদ্দিন শাহেদ অভিযোগ করে জানান, তাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হচ্ছে। ধানের শীষ সমর্থিত ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। কেবল নৌকার সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে পারছেন।

বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান কেন্দ্রে বহিরাগতদের উপস্থিতি, ভোটারদের বাধা প্রদান এবং কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের প্রবেশ করতে না দেয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, বহিরাগতরা ভোটকেন্দ্রের চারদিকে অবস্থান নিয়েছে। ভোটার ও এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছে। এখানে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। আমি প্রশাসনকে ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ বহিরাগতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এদিকে ভোট শুরুর পর বিভিন্ন কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

Keywords

-