নতুন বাংলাদেশ

নতুন দৃষ্টিতে বাংলাদেশ

প্রথম পাতা > প্রেস রিভিউ > রাঘববোয়ালদের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলছে

রাঘববোয়ালদের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলছে

25 October 2019, prothomalo PrintShare on Facebook

ক্যাসিনো–কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ‘রাঘববোয়ালদের’ বিপুল অবৈধ সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসছে। দেশে মানিলন্ডারিংসহ বিদেশে অর্থ পাচারের তথ্যও আসছে। এসব ‘রাঘববোয়াল’ যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, তাঁদের বিদেশযাত্রায় তাই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এরই মধ্যে তিন সাংসদসহ ২৩ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন) বরাবর চিঠি দিয়ে এঁদের বিদেশযাত্রা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারের অন্য সংস্থাগুলোও এ বিষয়ে কাজ করছে। যুবলীগের সদ্য অব্যাহতি পাওয়া চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, যুবলীগের প্রভাবশালী কয়েক নেতাসহ বেশ কয়েকজনের ব্যাংক হিসাব তলব ও জব্দের আদেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এঁদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম বাবু, তাঁর স্ত্রী সায়মা আফরোজ, তাঁদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সূচনা ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং লিমিটেড, স্টার ট্রেডিং কোম্পানি, বাবু এন্টারপ্রাইজ ও সূচনা ডায়িং প্রিন্টিং উইভিং ইন্ডাস্ট্রিজের হিসাব তলব করেছে এনবিআর। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওসার, স্ত্রী পারভীন লুনা, মেয়ে নুজহাত নাদিয়া নীলা এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠান ফাইন পাওয়ার সল্যুয়েশন লিমিটেড; যুবলীগের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী শেখ সুলতানা রেখা, ছেলে আবিদ চৌধুরী, মুক্তাদির আহমেদ চৌধুরী ও ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী এবং তাঁদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান লেক ভিউ প্রোপার্টিজ ও রাও কনস্ট্রাকশন; যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, তাঁর স্ত্রী সানজিদা রহমান, তাঁদের দুটি প্রতিষ্ঠান টি-টোয়েন্টিফোর গেমিং কোম্পানি লিমিটেড ও টি-টোয়েন্টিফোর ল’ ফার্ম লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব; স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থবিষয়ক সম্পাদক কে এম মাসুদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী লুতফুর নাহার লুনা, বাবা আবুল খায়ের খান, মা রাজিয়া খান এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠান সেবা গ্রীন লাইন লিমিটেড; ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি মুরসালিক আহমেদ, তাঁর বাবা আবদুল লতিফ, মা আছিয়া বেগম এবং স্ত্রী কাওসারী আজাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে এনবিআর।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে প্রথম দিনই রাজধানীর ইয়াংমেনস ফকিরাপুল ক্লাবে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক (পরে বহিষ্কার করা হয়) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন অভিযানে একে একে গ্রেপ্তার হন কথিত যুবলীগ নেতা ও ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম, মোহামেডান ক্লাবের ডাইরেক্টর ইনচার্জ মো. লোকমান হোসেন ভূইয়া, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, সম্রাটের সহযোগী এনামুল হক আরমান, কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল আলম (ফিরোজ), অনলাইন ক্যাসিনোর হোতা সেলিম প্রধান এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমানের (মিজান) ও তারেকুজ্জামান রাজীব।

বিস্তারিত

Keywords

-